• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

মঠবাড়িয়ায় আইন মেনে গুলি করা হয়

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট৬:০৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০১৬

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার জন্য স্থানীয় লোকদের অসহযোগিতাকে দায়ী করেছেন বিজিবির মহাপরিচালক আজিজ আহমেদ। বিজিবি গুলি করতে চায়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা না করায় এ ধরনের ঘটনার অবতারণা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘কোনো জায়গায় স্থানীয় লোকজন অসহযোগিতা করলে আর কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর বর্তায় না। এ পরিস্থিতি যারা সৃষ্টি করছে, তাদের ওপর এর দায়ভার বর্তায়।’
বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘তখন রাত ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আর কোনো উপায় তখন ছিল না। তাই বিজিবি গুলি চালাতে বাধ্য হয়। তবে গুলি চালানোর ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে গুলি চালানো হয়।’ তবে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন ঘটনা কখনও প্রত্যাশিত নয়।’

তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কখনও কখনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি পরিস্থিতি বাধ্য করে ভবিষ্যতেও গুলি চালাতে বিজিবি বাধ্য হবে।’

উল্লেখ্য, ২২ মার্চ ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের একাধিক স্থানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে কয়েকজন নিহত হয়। সংঘর্ষ ও  ব্যালট বাক্স ছিনতাইসহ বিক্ষিপ্ত ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ। রাতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়। আহত হয় কমপক্ষে ৩০ জন। এছাড়া কক্সবাজারের টেকনাফে গুলিতে দুজন, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও নেত্রকোনায় একজন করে নিহত হয়।

এছাড়া ভোট গ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও পুলিশের গুলিতে আহত হয় সহস্রাধিক। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শতাধিক সদস্য এসব ঘটনায় আহত হয়। ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দশ নিহত হয়। আহত হয় দুই হাজারের বেশি। এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১।

ads

লাইভ

টপ