• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

বরিশালে শ্যালিকাকে পতিতালয় বিক্রি, দুলাভাইয়ের কারাদন্ড

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট১২:৪০ পূর্বাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৬

বরিশাল: বাবুগঞ্জ উপজেলায় শ্যালিকাকে পতিতালয়ে বিক্রি করার দায়ে দুলাভাইকে ১০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ মো. আবু তাহের আসামির অনুপস্থিতিতে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডিত আসামি হল, মাদারীপুরের গোপালপুরস্থ জনাবন্দি আমিরা গ্রামের বাসিন্দা নিলু হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদার।

 

আদালত সুত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ৬ নভেম্বর আসামি মনির হাওলাদার বাবুগঞ্জের দেহেরগতি এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ি বেড়াতে যায়। এসময় তার শালী রুমা বেগমকে বিয়ে দেয়ার জন্য ছেলে পক্ষকে দেখাতে হবে বলে রুমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়। এরপর পাশ্ববর্তী বাসিন্দা আব্দুল করিমের স্ত্রী রেনু বেগমের সাহায্যে শ্যালিকা রুমাকে মাদারীপুরের একটি পতিতালয়ে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়।

 

পরে দুলাভাই মনির হাওলাদার সবাইকে জানায় রুমা কোথায় পালিয়ে গেছে। এতে রুমার পরিবারের লোকজন সর্বত্র ররুমার খোঁজ খবর নিতে থাকে। এক পর্যায় ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী পরিচিত এক গাড়ির ড্রাইভার জানায় রুমাকে মাদারীপুরে তিনি দেখতে পেয়েছেন। এ খবরের ভিত্তিতে দুই দিন পর পুলিশ ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাহায্যে একটি পতিতালয় থেকে উদ্ধার করা হয় রুমা বেগমকে।

 

পরে ওই পতিতালয়ে খোঁজ নিয়ে যানতে পারে শালী রুমাকে তার দুলাভাই মনির হাওলাদার ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলো। এ ঘটনায় মনির হাওলাদারে স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে  ২০০৪ সালের ৬ মার্চ বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তার স্বামি মনির হাওলাদার ও তাকে সাহায্যকারি রেনু বেগমকে আসামি করা হয়।

 

 

একই বছরের ৩০ জুন আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। আদালতে ১৮ জনের মধ্যে ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে অভিযোগ প্রমানিত হলে আসামি মনির হাওলাদারের অনুপস্থিতিতে তাকে ১০ বছরের কারাদন্ড ২০ হাজার ট্কাা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া মামলার এজাহারভুক্ত অপর আসামি রেনু বেগমের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাকে খালাস প্রদান করা হয়।

লাইভ

টপ