• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

বরিশালে কলেজছাত্রী খুনে দুই আসামী গ্রেফতার (ভিডিও)

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট৮:১৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০১৭

বরিশাল নগরীর অক্সফোর্ডমিশন রোডে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট অব হেলথ এন্ড টেকনোলজীর ছাত্রী সাদিয়া আক্তার (২১) হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার মঠবাড়িয়া পুলিশের সহায়তায় কোতয়ালি মডেল থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওহাব দুই আসামীকে গ্রেফতার করে বরিশালে নিয়ে আসেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সাদিয়াকে মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া এলাকায় বলেশ্বর নদীর তীরে নিয়ে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয় বলে স্বীকার করে। আটক দুজন হচ্ছে মো. সিরাজ (২৫) মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া গ্রামের মো. ইব্রাহিম মিয়ার পুত্র। অপরজন মো. হাফিজ আকন (১৪) একই গ্রামের দেলোয়ার আকনের ছেলে।

বরিশাল নগরীর ডেফুলিয়া এলাকার বাসিন্দা আলমগীর খানের কন্যা সাদিয়া আক্তার ২২ নভেম্বর বাসা থেকে বের হয়ে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে বাসায় ফেরেনি। পরবর্তীতে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেলে ওই দিনই কোতোয়ালি মডেল থানায় বাবা আলমগীর খান সাধারণ ডায়েরি করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওহাব মোবাইল ট্রাকিং করে মো. সিরাজের উপস্থিতি শনাক্ত করে সোমবার সকালে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মঠবাড়িয়া পুলিশের সহায়তায় প্রধান অভিযুক্ত সিরাজ ও হাফিজকে গ্রেফতার করেন। সিরাজের ঘর থেকে সাদিয়াকে হত্যার পর ব্যবহৃত বলরিং উদ্ধার করা হয়।

প্রধান আসামী সিরাজ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে, মোবাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ঘটনার দিন তার আরেক সহযোগী বাগেরহাটের শনরখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে নাজমুল ইসলাম নয়নের (৩০) সহায়তার বরিশাল নগরীর রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সাদিয়াকে মঠবাড়িয়ে নিয়ে যায়।

বাজারে ঘোরাফেরার পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বড়মাছুয়া এলাকায় বলেশ্বর নদীর পাড়ে নিয়ে সাদিয়াকে ৩ জন মিলে ধর্ষণ করে। চিৎকার দিলে সাদিয়ার গলাটিপে হত্যা করে লাশ বলেশ^র নদীতে ফেলে দেয়।

তবে এখন পর্যন্ত সাদিয়ার লাশের সন্ধান মেলেনি।’

লাইভ

টপ