• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

ঝালাকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রকৌশলী বরিশাল জেলহাজতে

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট৫:০২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০১৭

কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য গোপনের মামলায় ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুল আমিন সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১টার দিকে তিনি বরিশালের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন প্রকৌশলীকে কারাগারে প্রেরণ আদেশ দেন।

বরিশাল শহরের লাচিন ভবনের মালিক প্রকৌশলী নুরুল আমিন উজিরপুর বাজারের বাসিন্দা ইয়াকুব আলী সিকদারের ছেলে।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. গিয়াস উদ্দিন কাবুল জানান, ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে প্রকৌশলী নুরুল আমিনের কাছে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব চাওয়া হয়। সেখানে তিনি ৪৮ লাখ ৬২ হাজার ১৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের কথা উল্লেখ করেন।

পরবর্তীতে দুদকের তদন্তে বেড়িয়ে আসে প্রকৌশলী নুরুল আমিন ১ কোটি ৩৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪১ টাকার তথ্য গোপন করেছেন। তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর বরিশাল দুদক সহকারী পরিচালক এএইচ রহমত উল্লাহ বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার একমাত্র আসামি প্রকৌশলী নুরুল আমিনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন তদন্ত কর্মকর্তা। এরপর উচ্চ আদালত এবং নিু আদালত থেকে মামলা স্থগিত করান আসামি।

প্রকৌশলীকে কারাগারে প্রেরণের সাথে মামলাটিও বিচারের জন্য বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে পাঠিয়েছেন বিচারক।”

লাইভ

টপ