• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

ঝালকাঠি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের শঙ্কট !

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট৮:৩৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০১৬

ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে গত কয়েকদিনে কুকুরে কামড়ানো রোগীর সংখ্যা এতোটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগে প্রতিশেধক ভ্যাক্সিনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। জেলা প্রধান ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল সহ স্বাস্থ্য বিভাগে ভ্যাকসিন না থাকায় বেসরকারী ওষুধের দোকান থেকে চড়া মূল্যে ভ্যাকসিন কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

 

এতো অর্থ ব্যায়ে কুকুর কামড়ানো প্রতিশেধক কিনতে গিয়ে সাধারন রোগীরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে ভূক্তভুগীরা জানিয়েছে। এ অবস্থায় সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দায়িত্ব পালনরত ব্রাদারদের কাছে আসা রোগী ও তার স্বজনদের ভ্যাকসিন সরবারহ করতে না পেরে তাদের তোপের মুখে পরছেন বলে জানা গেছে।
সদর হাসপাতালের ব্রাদার মনিন্দ্র নাথ বলেন,গত এক সপ্তাহ ধরে কুকুরে কামড়ানো অনেক রোগী সংখ্যা আকস্মিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে থাকা সরকারি ভ্যাকসিন ফুরিয়ে গেছে। তাদের ভ্যাকসিন দিতে শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে সরবারহের জন্য সিভিল সার্জন কার্যলয়ে একাধিক বার জানানোও হয়েছে। বিভিন্ন গ্রাম থেকে কুকুর আক্রান্ত রোগীরাতো ভ্যাকসিন ষ্টকে নেই তা জানে না। যে কারনে তারা ধারনা করছে আমাদের কাছে ভ্যাকসিন আছে কিন্তু তাদের দিচ্ছি না। এজন্য অনেক রোগী বা সাথে আসা আত্মীয় স্বজন আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।’
জানা গেছে, জেলার ৪টি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আসা কুকুরের কামড়ের শিকার রোগীদের ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভব হয়েছে। ২৪ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ দুপুর ১টা পর্যন্ত ৭৭ জন কুকুরে কামড়ে অসুস্থ রোগীকে ভ্যাকসিন দেয়ার পরে ষ্টক শেষ হয়ে গেছে। এরপর থেকে সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় রোগী আসলেও ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রহিম বলেন, ভ্যাকসিন শেষ হওয়ার বিষয়টি আমি জেনেছি এবং ভ্যাকসিনের চাহিদার কথা জানিয়ে ডিজি অফিসে চিঠি প্রেরন করেছি। শীগ্রই ভ্যাকসিন সরবারহ করা হলে রোগীদের প্রদান করা সম্ভব হবে।

ads

লাইভ

টপ