৩ মিনিট আগের আপডেট

কর্মকর্তাদের যোগসাজোশে অতিদরিদ্রদের টাকা হরিলুট

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট ২:৩৫ অপরাহ্ণ, মে ৮, ২০১৬

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী ৪০ দিনের প্রকল্পের টাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগ সাজশে লুটপাট করছে জনপ্রতিনিধিরা। সংশ্লিষ্ট একাধীক সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ৪নং গৈলা ইউনিয়নের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী ৪০ দিনের প্রকল্পের ৭টি প্রকল্পে ৩শত ৩১ জন শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দের পরিমান ২৭লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা।

 
সূত্রে জানাগেছে, কালুরপাড় মজিদুল কোরআন  মসজিদ ও কালুরপাড় দূর্গা মন্দিরের মাঠ ভরাট শ্রমিক সংখ্যা ২৭ জন। পূর্ব কাঠিরা শামিন খানের বাড়ি থেকে মতি হাওলাদার বাড়ী পযর্ন্ত রাস্থা সংস্কার শ্রমিক সংখ্যা ২৭ জন। উত্তর শিহিপাশা খালেক সরদারের বাড়ি থেকে নিবস্যা খানের বাড়ি প্রর্যন্ত রাস্তা সংস্কার , শ্রমিক সংখ্যা ৪৫ জন। নীমতলা থেকে নবযুগ সড়কের দুইপাশে মাটি ভরাট শ্রমিক সংখ্যা ২৫ জন। পতিহার পাকা রাস্তা থেকে হোসেন মাষ্টারের বাড়ী প্রর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। দাসপট্টি মান্নান মাষ্টারের বাড়ী হইতে মানিক মৃধার বাড়ী প্রর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। শ্রমীক সংখ্যা ৫৪ জন। উত্তর শিহিপশিা সবুজ মেম্বারের বাড়ী থেকে হালিম সরদারের পুকুর পাড় প্রর্যন্ত রাস্তা নির্মান ।

 

শ্রমীক সংখ্যা ১০৩ জন। অশোকসেন সরকারী প্রথামিক বিদ্যালয় থেকে হাড়ি ভাঙ্গা প্রর্যন্ত রাস্তা নির্মান। শ্রমীক সংখ্যা ৫০ জন। ৪নং গৈলা ইউনিয়নের ৭টি প্রকল্পে ৩শত ৩১ জন শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দের পরিমান ২৭লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে বেশীর ভাগ প্রকল্পের কাজই নামমাত্র লোকদেখানো। কিছু প্রকল্পের কাজ করলেও সেখানে শ্রমিক সংখ্যা অর্ধেক কিংবা তার কম। প্রকল্পগুলি ৪০দিন চলার কথা থাকলেও অনেক প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে ৭/৮ দিন কাজ করে।

 
সরজমিনে গিয়ে দেখাগেছে,  কালুরপাড় মজিদুল কোরআন  মসজিদ ও কালুরপাড় দূর্গা মন্দিরের মাঠ ভরাট ২৭ জন   শ্রমীক দিয়ে কাজ করানোর কথা থাকলেও সরকারী বিধি লঙ্গন করে পরিষদের মেম্বর রাম কৃষ্ণ সুতার নাম মাত্র কাজ করিয়েছেন তা ও আবার ঠিকা মুজুরী দিয়ে। দাসপট্রি মন্নান মাষ্টারের বাড়ী হইতে মানিক মৃধার বাড়ী প্রর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের কাজ করেছের ৫ থেকে ৭জন দিয়ে দৈনিক হাজিরায় কাজ করিয়েছেন। সেখানে মাত্র ৮ দিন কাজ করান মহিলা মেম্বর বেবী বেগম।

 
অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী ৪০ দিনের প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট একজন নাম না প্রকাশের শর্তে জানান,  ৪নং গৈলা ইউনিয়নের ৭টি প্রকল্পে ৩শত ৩১ জন শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দের পরিমান ২৭লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা বরাদ্দ হলেও চেয়ারম্যান আবুল হোসেন লাল্টু’র নেতৃত্বে মেম্বররা এক তৃতীয়ও অংশ কাজ হয় নাই । এর কারন হিসাবে জানান প্রতিটি প্রকল্প থেকে তাকে ২০% দিতে হয়েছে। এর পরে রয়েছে উপজেলার অফিস, সেখানে ইউএনও. পিআইও. হিসাব রক্ষন অফিস. উপজেলা পরিষদ. এবং আগৈলঝাড়া প্রেস ক্লাব ১% টাকা দিতে হয়েছে। এতে করে প্রায় ৬০% টাকা প্রকল্পের ব্যায় হয়ে যায়। বাকি থাকে ৪০% টাকা তা দিয়ে এলাকার প্রতিনিধিরা কাজ করান। সেখানে প্রতিনিধিরা ২০% টাকার কাজ করান বাকি ২০% টাকা থাকে জন প্রতিনিধিদের।

 

এমত অবস্থায় প্রতিটি প্রকল্পে কাজ হয় মাত্র ২০% টাকার। এই অল্প টাকার কাজ হওয়ার কারনে এলাকার রাস্তা-ঘাট এর উন্নায়ন হয় না যে কারনে  মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কিছু লোভী জনপ্রতিনিধিরা দরিদ্রদের টাকায় নিজের পকেট ভাড়ি করছেন।

পাঠকের মন্তব্য





সম্পাদক: হাসিবুল ইসলাম
যুগ্ম সম্পাদক : এস এম শামীম
নির্বাহী সম্পাদক: এস এন পলাশ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো. শামীম
প্রকাশক: তারিকুল ইসলাম

নীলাব ভবন (নিচ তলা), দক্ষিণাঞ্চল গলি,
বিবির পুকুরের পশ্চিম পাড়, বরিশাল- ৮২০০।
ফোন: ০৪৩১-৬৪৮০৭, মোবাইল: ০১৭১১-৫৮৬৯৪০
ই-মেইল: [email protected], [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বরিশালটাইমস

rss goolge-plus twitter facebook
TECHNOLOGY:
টপ
  কিউবার মতো চীনেও সনিক অ্যাটাক ॥ আতঙ্ক  এবার সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল রাশিয়া  বেঁচে আছেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমান!  ফেসবুক কেন ব্যবহারকারীদের নগ্ন ছবি চাইছে?  দূতাবাসের মাধ্যমে ভোট দিতে চান প্রবাসীরা  বিশ্বজুড়ে ইংরেজি কি 'জনপ্রিয় ভাষা' হিসেবে টিকে থাকবে?  আবহাওয়া: হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা  বড় হয়ে প্রিয়াঙ্কা হতে চায় মিমি  'এখানো দেশে আর্জেন্টিনার সমর্থক বেশি'  আবারও বার্সায় চুক্তি নবায়ন করবেন মেসি