• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

আশুগঞ্জ থেকে অপহৃত শিশু ঝালকাঠিতে উদ্ধার, অপহরণকারী আটক

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট১০:০৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৭

আশুগঞ্জ থেকে অপহৃত পাঁচ বছরের শিশু সাকিব হোসেনকে উদ্ধার করেছে ঝালকাঠির নলছিটিতে উদ্ধার হয়েছে। এ সময় এক অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। সোমবার (১৯ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার রায়াপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রোববার সকালে ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার কলাপাড়া গ্রাম থেকে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়।

নলছিটি পুলিশ জানায়, রোববার সকাল ১১টায় কলাপাড়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে সাকিব বাসা থেকে বের হয়ে পাশের দোকানে যাচ্ছিল। পাচারের উদ্দেশে পেছন থেকে শিশুটিকে অপহরণ করে একটি চক্র। তারা ব্রাক্ষণবাড়িয়া থেকে শিশুটিকে গাড়িতে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সদরঘাট থেকে বিকেলে সুরভী লঞ্চে বরিশালের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। সোমবার সকালে লঞ্চ থেকে নেমে সাকিবকে নিয়ে একটি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে করে ঝালকাঠি হয়ে সাতক্ষীরার দিকে যাচ্ছিল অপহরণকারী হাসান মৃধা।

মোটরসাইকেলটি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রায়াপুর গ্রামে এসে থামে। সাকিবের জন্য রাস্তার পাশের দোকান থেকে চিপস কিনতে যায় অপহরণকারী। এ সময় শিশুটির কান্নাকাটি দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। শিশুটির সাথে কথা বলে অপহরণের বিষয়টি জানতে পারে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) এম এম মাহামুদ হাসান ও নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম সুলতান মাহামুদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এবং আটক করা হয় অপহরণকারী হাসান মৃধাকে।

হাসান মৃধা ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়ার নাসির নগর উপজেলার কচুয়া গ্রামের খালেক মৃধার ছেলে।

নলছিটি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আহম্মেদ বরিশালটাইমসকে বলেন, যে দোকান থেকে শিশুটিকে চিপস কিনে দেওয়া হয়, ওই দোকানীই প্রথম পুলিশকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে এক জনপ্রতিনিধি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে পুলিশের একটি দল দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের প্রথমে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বসেই অপহরণকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ সুপার।

ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. জোবায়েদুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, শিশুটিকে ভারতে পাচারের উদ্দেশে সাতক্ষীরার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে গ্রেপ্তারকৃত হাসান পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

অপহরণের সময় হাসানের সাথে আরও একজন ছিল বলে প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাবাদের জন্য নলছিটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

লাইভ

 

টপ