• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

আরও ৩০ হাজার কম্বল বিতরণ করবে বরিশাল জেলা প্রশাসন

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট১০:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০১৮

টানা শীতে বিপর্যস্ত বরিশালের জনজীবন। স্থবির হয়ে পড়েছে কাজকর্ম। প্রয়োজন ছাড়া এলাকার মানুষ বাইরে বের হচ্ছে না। কিন্তু নিম্ন আয়ের মানুষের বিরাম নেই। সোমবারও (০৮ জানুয়ারি) তাপমাত্রার পারদ রয়েছে নিচের দিকে।

বরিশালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ০৬ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ০৭ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার (০৬ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ওই দিন থেকেই তীব্র শীত বইছে এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে। গত কয়েকদিনের তাপমাত্রার খবর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে- পর্যায়ক্রমে বরিশাল অঞ্চলে তাপমাত্রা কমে আসছে।

এমন বাস্তবতায় অসহায়দের দিকে উষ্ণতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন- বরিশাল জেলা (ডিসি) প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান। সেই সাথে তিনি শীতার্তদের পাশে বেসরকারি উদ্যোগকেও কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

বরিশাল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে- আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও নিচে নামবে। সেক্ষত্রে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এই অঞ্চলে। তাছাড়া কয়েকদিন ধরেই পড়ছে ঘন কুয়াশা। বেলা ১০টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হিমালয় ছুঁয়ে আসা হিমশীতল হাওয়া। এতেই কাঁপছে দক্ষিণের এ জনপদ। বিশেষে করে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষগুলোর দুর্ভোগের অন্ত নেই।

বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, শীতজনিত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এদের অনেকেই ঠান্ডাজনিত ডাইরিয়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক প্রনব কমুার রায় বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন- সোমবার বরিশালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ০৬ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এটিই চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তপমাত্রা। এরপর সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমে আসায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।’

আবহাওয়া অফিসের এমন আভাসের প্রেক্ষিতে সরকারের জেলা পর্যায়ের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন- সাম্পতিকালে ত্রাণ দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া ২০ হাজার কম্বল শীতার্তদের সহায়তায় এরই মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সোমবার (০৮ জানুয়ারি) আরও ৩০ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেগুলোও ২/১ দিনের মধ্যে উপজেলাগুলো অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে।’

লাইভ

টপ