• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook
সর্বশেষ :

আমাদের সুফিয়া কামাল নারী জাগরণের অগ্রদূত

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট১১:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০১৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- সাহিত্যে বেগম সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

মঙ্গলবার (২০ জুন) কবি সুফিয়া কামালের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (১৯ জুন) দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোষহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের ১৫ আগস্টে নিমর্মভাবে হত্যা করে যখন এ দেশের ইতিহাস বিবৃতির পালা শুরু হয়, তখন সুফিয়া কামালের সোচ্চার ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।

বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন- নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে এক অভিজাত পরিবারে। তৎকালে বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতা চর্চা শুরু করেন। সুললিত ভাষায় ও ব্যঞ্জনাময় ছন্দে তাঁর কবিতায় ফুটে উঠত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও সমাজের সার্বিক চিত্র।

১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন করেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলার তিনি প্রতিষ্ঠাতা।

শেখ হাসিনা বলেন, বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত বেগম সুফিয়া কামালের ১০৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।”

লাইভ

টপ