• Youtube
  • google+
  • twitter
  • facebook

অটোচালক ১০ হাজার কোটি টাকা মালিক!

বরিশাল টাইমস রিপোর্ট৩:২৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৬

পটুয়াখালী: শহরের পুরান বাজার এলাকার জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখায় একটি ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের ঘটনায় সেখানকার ব্যাংকপাড়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি সোহাগ ফকির নামে পেশায় এক অটোরিকশাচালকের ব্যাংক একাউন্টে ‘১০ হাজার কোটি টাকার’ লেনদেন হয়। ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, ‘ভুলবশত’ এমন লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। ভুল সংশোধনে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের বাসিন্দা পেশায় অটোরিকশাচালক সোহাগ ফকির ২০১৫ সালের ২৩ জুন জনতা ব্যাংকের পটুয়াখালীর প্রধান শাখায় এক হাজার টাকা জমা দিয়ে একটি সঞ্চয়ী হিসাব খোলেন।

পাশাপাশি ওই হিসাবে একটি বীমা কোম্পানির ৩ হাজার ৫২০ টাকার চেকও জমা দেন। আবার একই বছরের ১৩ জুলাই অপর একটি চেকের মাধ্যমে ৩ হাজার ৫২০ টাকা তুলে নেওয়া হয়। আর গত ১৪ ফেব্র“য়ারি জনতা ব্যাংকের সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ঘাট শাখা থেকে ১০০ টাকা জমা হয় সোহাগের ব্যাংক হিসাবে।

কিন্তু হিসাব বিবরণীতে সোহাগের আমানতের পরিমাণ দেখানো হয় ১০ হাজার ৪২ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি। একক ব্যক্তির একটি ব্যাংক হিসাবে এ বিপুল আমানত শুধু অস্বাভাবিক নয়, সন্দেহজনকও। ফলে এ নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাদের মনেও সন্দেহ দেখা দেয়।

পরে যে শাখা থেকে টাকা জমা হয়েছে সেই শাখা ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, লেনদেনটিতে টাকার অঙ্কে ভুল হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের পটুয়াখালী শাখার ব্যবস্থাপক ফরিদ আহম্মদ বরিশালটাইমসকে বলেন, এ রকম ভৌতিক ও সন্দেহজনক আমানত দেখে তাৎক্ষণিক বিষয়টি টেলিফোনের মাধ্যমে আইসিটি ডিপার্টমেন্ট (অপারেশন) হেল্পডেক্সে অবহিত করা হয়। এমনকি সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি শাখার ব্যবস্থাপক ও হিসাবধারী গ্রাহকের সঙ্গে আলোচনা করে এ ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্যাংকের এরিয়া অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক নারায়ণ চন্দ্র সরকার বলেন, অনলাইন ট্রান্সফারের সফটওয়্যার ত্র“টির কারণে এই অস্বাভাবিক লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। ভুল ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। জনতা ব্যাংকের আইসিটি বিভাগকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি অবহিত করার পাশাপাশি ব্যাংক হিসাবটির লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে।’

লাইভ

টপ